স্টুডেন্টস ইউনিটি ও আমাদের বর্তমান বাস্তবতা


43

ফিরছিলাম খালাতো ভাইয়ের বিয়ে পরবর্তী বৌ-ভাত অনুষ্ঠান থেকে, সন্ধ্যের পর। আমার গন্তব্য মিরপুর। পুরান ঢাকার রায়সাহেববাজার মোড় থেকে উঠেছিলাম মিরপুর-সদরঘাট রুটের ইউনাইটেড পরিবহন লিঃ এর একটি বাসে। এই রুটে আমি বহুবারই যাতায়াত করেছি। যদিও রিক্সা বা অটোরিক্সাই আমার পছন্দের বাহন, তবু আগে যখন গ্রীনরোড থাকতাম তখন ফার্মগেট অথবা কারওয়ানবাজার থেকে যাতায়াত করতাম এই বাসে, এখন করি মিরপুর থেকে। বাংলাদেশের অপরাপর লোকাল বাসগুলোর চেয়ে এই রুটের বাসগুলোর সার্ভিস যে ভালো সেকথা বলা যাবেনা। ইউনাইটেড পরিবহন ছাড়াও এই রুটে বিহঙ্গ পরিবহন নামের আরো একটি বাস সার্ভিসে আমি যাতায়াত করি। সেটির সার্ভিসও একই রকম। অনেক লোকের যাতায়াত যে শহরে সেখানে বাসের সার্ভিসকে আসলে দোষ দেয়া যায়না। সিটিং বাসেও হুড়হুড় করে যাত্রীরা উঠে পড়ে। কে আটকাবে?

এই রুটের বাসে যাতায়াত করে একটা জিনিস দেখেছি, প্রতিটি বাসেই অনেক স্টুডেন্ট উঠে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর স্টুডেন্টরাই বেশি। কলেজগুলোর স্টুডেন্ট তো রয়েছেই। যেটা দেখে এসেছি সেটা হলো- বাস কন্ডাক্টর ভাড়া চাইলে স্টুডেন্টরা হাফ ভাড়া দেন। কখনো কখনো সেটা হাফ ভাড়া নয়, এক-তৃতীয়াংশ। কিন্তু কন্ডাক্টররা তেমন কথা বলেনা। স্টুডেন্টরা হাফ/এক-তৃতীয়াংশ ভাড়া দেবে এটাই চলতি নিয়ম। প্রচলিত। কয়েকবছর আগে যখন আমি স্টুডেন্ট ছিলাম তখনও স্টুডেন্টদের হাফভাড়া প্রচলিত ছিলো। কিন্তু তখনকার সাথে এখনকার পার্থক্য যেটা দেখি সেটা হলো- তখন আমরা স্টুডেন্ট আইডি কার্ড দেখাতাম। কন্ডাক্টর না চাইলেও দেখাতাম। আর এখন কন্ডাক্টর চাইলেও স্টুডেন্টরা আইডি কার্ড দেখাননা। বরং উল্টো ধমক দেন! তখন আমরা নন-স্টুডেন্ট প্যাসেঞ্জার দাঁড়ানো থাকলে সিটে বসতাম না। যদি কোনো নন-স্টুডেন্ট প্যাসেঞ্জার দাঁড়ানো না থাকতো এবং সিট খালি থাকতো তাহলেই কেবল সিটে বসতাম। আর যদি সিটে বসতাম তাহলে হাফ ভাড়া দিতাম না। তখন ফুল ভাড়াই দিতাম। এটা নিয়ে কোনো ঝামেলা হতোনা। কিন্তু এখন দেখি বেশিরভাগ স্টুডেন্টই সিট নিয়ে বসে। নন-স্টুডেন্ট ফুল ভাড়ার ৫/৬ জন প্যাসেঞ্জার দাঁড়িয়ে আছে কোনঠাসা হয়ে, অথচ সেই বাসে হাফ/এক-তৃতীয়াংশ ভাড়ার ৭/৮ জন স্টুডেন্ট আরামসে বসে আছে। এটা নিয়ে তখন ঝামেলা হয় যখন আইডি কার্ড চাইলেও স্টুডেন্টরা তা দেখাননা, বরং উল্টো ধমক দেন কন্ডাক্টরকে। ধমক খেয়ে বেশিরভাগ কন্ডাক্টর চুপ হয়েই থাকে, কেউ কেউ দু-একটা কথা বলে, কিন্তু সুবিধা করতে পারেনা।

এইসব রুটের বেশিরভাগ বাস সার্ভিসের বিভিন্ন স্টপেজে সুপারভাইজাররা দায়িত্বরত থাকে। তারা স্টপেজে বাস থামলে বাসে উঠে যাত্রী গণনা করে ওয়ে-বিলে স্বাক্ষর করে। ওয়ে-বিলে স্বাক্ষর করার আগে সুপারভাইজাররা ‘যারা স্টুডেন্ট তাদেরকে’ হাত তুলতে বলে। কিন্তু দেখা যায় বাসে স্টুডেন্ট ৬/৭ জন, আর হাত তুলে ২/৩ জন। আমি এটা কখনো দেখিনি যে, সমানসংখ্যক স্টুডেন্টই হাত তুলেছে। কেনো? অহমিকা? পরে কন্ডাক্টর যখন ভাড়া নিতে আসে ৬/৭ জন হাফ/এক-তৃতীয়াংশ ভাড়া দেয়। কন্ডাক্টর শুধু বলে তখন হাত তুলেন নাই, এখন ভাড়া কম দেন কেনো? হাত না তোলা স্টুডেন্টরা তখন ধমক দেয় কন্ডাক্টরকে। বেশিরভাগ কন্ডাক্টর ধমক খেয়ে চুপসে যায়। মাঝে মাঝে কোনো কোনো কন্ডাক্টর কথা বলে। এরকম করলে তার প্রবলেম হয়, মালিকপক্ষ এটা মানতে চায়না ইত্যাদি ইত্যাদি.. মাঝে মাঝে এসব নিয়ে ঝামেলা হয়। এই ঝামেলা প্রতিদিনই হচ্ছে, হয়ে চলেছে। চলতি পথে এটা নিয়মিত বিড়ম্বনা। এই বিড়ম্বনা নিয়েই চলতে হয়।

স্টুডেন্টরা হাফ ভাড়া দেবে এটা তাদের অধিকার। এই অধিকার প্রচলিত হয়ে এসেছে। কিন্তু সেই অধিকার ফলাতে গিয়ে বাসজুড়ে থাকা নন-স্টুডেন্ট প্যাসেঞ্জারদের পোহাতে হয় বাড়তি বিড়ম্বনা। এই বিড়ম্বনা নিয়মিত। প্রায়শঃই ঘটে, ঘটে থাকে।

আজ বিড়ম্বনাটা একটু বেশি মাত্রায়ই ঘটলো।
বাসে জনা ছ’য়েক স্টুডেন্ট ছিলো। বাকীরা হাফ ভাড়া দিয়েছে, কন্ডাক্টর মেনেও নিয়েছে। শুধু দু’জনের বেলায় কন্ডাক্টর মানতে চাইছেনা। কেনো? এই দু’জন নয়াবাজার মোড় থেকে উঠেছে। যাবে ফার্মগেট। ভাড়া দিচ্ছে ৫ টাকা। অল্প বয়েসী কন্ডাক্টর বলছে- ‘আইজকা শুক্রুবার। মালিক শুক্রুবারে ইসটুডেন-ভাড়া মানেনা। আপনেরা ৫ টাকা করে দুইজনে ১০ টাকা দ্যান।’ না, স্টুডেন্ট দু’জন ১০ টাকা দেবেনা। ৫ টাকাই দেবে। কন্ডাক্টরটি অনুনয় করে বললো। তারা শুনলোনা। আমার একসারি সামনের বামপাশের সিটেই ঘটছিলো, ফলে আমি শুনছিলাম মনোযোগ দিয়েই। শেষে কন্ডাক্টরটি নিরাশ হয়েই বললো- পারবেন তো আমগোর লগেই। এইদিকে আপনেরা মারেন, ওইদিকে মালিকে ঘাড় ধরে। বলে কন্ডাক্টর পা বাড়াচ্ছিলো সামনে। তাকে টেনে ধরে তার গতিরোধ করলো ২জনের একজন। এবং সে পকেট থেকে বের করলো তার মোবাইল ফোন। বিভিন্নজনকে ফোন করতে লাগলো। বাস তখন মাৎসভবনের সামনে।

স্টুডেন্ট ছেলেটি নানাজনকে ফোন করে আসতে বলছে শাহবাগে। সাথের স্টুডেন্টটিও ফোন করছে। শাহবাগ আসার আগেই বাসের সব প্যাসেঞ্জার বুঝে গেলো ঝামেলা ভালোই হতে চলেছে। স্টুডেন্ট দুজন এমনভাবে ফোনে কথা বলছে যেনো বিরাট অন্যায় কোনো ব্যপার ঘটে গেছে। যার প্রতিকার করতেই হবে! আর সেই প্রতিকার করতে সে ফোনে এমনসব কথা বলছে শুনে হাসি চেপে রাখাও দায়। আমার পাশে বসা ভদ্রলোক আমাকে ফিসফিস করে বলছেন- “ছাগলেরও তো জাত আছে, এইদুইটা কোন শ্রেণির ছাগল দেখেন..” ফিসফিস করে বলছেন তিনি। হ্যাঁ ফিসফিস করেই। কেননা আমরা, এদেশের মানুষরা দিনকে দিন প্রতিবাদ করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা এখন ‘মুখ বুঁজে সব সহ্য করা’ জাতি! আমার সামনের আসনে বসা একজন খালাম্মা ও তার তরুণী কন্যা। মার্জিত চেহারার হিন্দু মহিলাটির পাশের সারিতেই বসা স্টুডেন্ট দু’জন। তিনি স্টুডেন্টদের বললেন- এটা নিয়ে ঝামেলা করছো কেনো তোমরা। ও এমন কি বলেছে।.. এই শোনো..আমাদেরকে বাসে রেখে তোমরা বাস ভাঙবেনা বলে দিলাম..

ইতোমধ্যে সমগ্র বাসে ফিসফিস, শোরগোল। স্টুডেন্ট দু’জনের আচরণ বাসের কেউই যে পছন্দ করছেননা সেদিকে তাদের কোনো ভ্রুক্ষেপও নেই। প্রতিটি যাত্রী তাদের বাজে ভাবছে সেই বোধটুকুও তাদের নেই। ইতোমধ্যে বাস শাহবাগ পেরুচ্ছে। রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম থাকায় বাস এগুচ্ছেনা। আমরা স্টুডেন্ট দুজনের ফোনালাপে বুঝলাম ২০/৩০ জন স্টুডেন্ট আসছে। স্টুডেন্ট দুজন তাদেরকে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আসতে বলছে। বাস তখন জ্যামে আটকা সেখানেই। আমার পেছনে ৩ সারি আসনে মেয়েরা। সবচেয়ে পেছনের সারিতেও ২জন মেয়ে আর ৩ জন ছেলে। সেই পেছন থেকে এরমধ্যে অন্য একজন স্টুডেন্ট উঠে এলো সেই দুজন স্টুডেন্ট এর কাছে। তাদের বুঝালো। নানা যুক্তি দিয়ে বুঝালো। কিন্তু তারা মানছেনা। আমার পাশের ভদ্ররোক বললেন..’দুইটার গালে দুইটা থাপ্পর দেয়া দরকার।’ আমি ভদ্রলোকের কথা শুনে হাসলাম। এবার আমি উঠে গেলাম সেট ছেড়ে। স্টুডেন্ট দুজনের কাছে গিয়ে কন্ডাক্টরটিকে ডেকে আনলাম। কন্ডাক্টরটি আসার পর তাকে বললাম ক্ষমা চাইতে। কন্ডাক্টরটি ক্ষমা চাইলো। আমি স্টুডেন্ট দুজনের পিট হাতড়ে বললাম- ‘ভাইরে হয়েছে, ও ক্ষমা চেয়েছে তো..এবার থামুন আপনারা। দেখুন গাড়িতে অনেক ভদ্রমানুষ আছেন, মেয়েরা আছেন। তারা সবাই আতংকিত হয়ে যাচ্ছেন।’

মনে হলো স্টুডেন্ট দুজন থামলো। বাস ততোক্ষণে জ্যাম কাটিয়ে ঢাকা শেরাটনের সামনে এসে পৌঁছেছে। কিন্তু না তারা মোটেই থামেনি। সেই ফোনালাপ চলছেই। ‘এই তোরা কই?’… ‘রিক্সা নিয়ে আসো দোস্ত।’… ‘দৌড়ে আসতে পারোনা?’… ‘কয়জন?’… ‘মাত্র ২০ জন?’… “…ভাই এমন কথা বলেছে আমাকে আপনি সেই কথা শুনলে আপনিও আমাকে থাপ্পর দেবেন..” বোঝা গেলো স্টুডেন্ট ছেলেটি কোনো ‘বড়ভাই’কে ফোন করছে। আমার পেছনের একজন মেয়ে কন্ডাক্টরটিকে চুপটি করে পালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। আমি স্টুডেন্ট দুজনের আচরণে নিরাশ হয়ে গেলাম। দূর! যা ইচ্ছে করুক!

বাস আগাচ্ছেইনা। অনেক জ্যাম রাস্তায়। তখন আমরা বাংলামোটরের কাছাকাছি। স্টুডেন্ট দুজন সিট থেকে উঠে বাসের গেটে গেলো। গেট ব্লক করে দাঁড়ালো। ইতোমধ্যে তাদের কন্ঠস্বর চড়ে গেছে। তারা উচ্চস্বরে কথা বলছে। এবং এই সময় বাস পুরো থাময়ে দিয়ে বাসের ড্রাইভার পেছন ফিরে একটি স্টুডেন্ট এর হাত টেনে ধরলো। বললো- ভাই ওইটা ভুল করেছে মাফ চেয়েছে। এবার আমি আপনাকে ছোটভাই হিসেবে মাফ চাচ্ছি। ভাই এতোগুলো পেসেঞ্জার বাসে, সবার দিকে তাকিয়ে ছেড়ে দ্যান ভাই, আটকাইয়েন না। ভাই মাফ করে দ্যান।… বাস ড্রাইভারের ক্ষমা চাওয়ার পর স্টুডেন্ট দুজনের গলা আরো চড়াও হয়েছে। তারা হৈহল্লা শুরু করে দিয়েছে। আর দেখছি কমসে কম ৩০/৩৫ জন স্টুডেন্ট বাসটাকে ব্লক করে ধরেছে বাংলামোটরের মোড়ে। আমরা সবাই অসহায় হয়ে দৃশ্য দেখছি। ইতোমধ্যে কন্ডাক্টর পালিয়েছে। আমরা ভাড়ার টাকাও নিতে পারছিনা। অনেকে নেমে যাচ্ছেন বাস থেকে। একটা অন্যায়ের কাছে নিজেদের প্রতিবাদের ক্ষমতা আর ইচ্ছেগুলোকে নতজানু করে দিতে দিতে সবাই নেমে গেলো। আমি দেখছি আমিই শুধু আছি বাসে। আর আছে সেই স্টুডেন্টরা। এখন ২জন নয় অনেক জন। সেই স্টুডেন্ট দুজনের একজন আমাকে বললো প্রায় ধমকের সুরে- ভাই আপনি নামেন না ক্যান, নেমে যান। আমার ধৈর্যশক্তিতে ধাক্কা লাগলো। প্রতিবাদের ভাষাটা সামনে আসতে চাইলো। নিজেকে সামলালাম। একটি কথাও না বলে আমি নেমে গেলাম। ইচ্ছে করছিলো আর কোনো দৃশ্য না দেখতে। কিন্তু চলে আসতে পারলাম না। একটি সিগারেট ধরিয়ে দেখতে থাকলাম।

বাসের ড্রাইভার ক্ষমা চেয়েই চলেছে। আর তাকে গালিগালাজ করেই চলেছে স্টুডেন্টরা। বাস ঘুরাতে বলছে বাঁ দিকের রাস্তায়। ড্রাইভার অনুনয় করছে, তারা শুনছেনা। একসময় ড্রাইভারের গালে ঘাড়ে চললো কয়েকটা চড় থাপ্পর। এরপর দেখলাম বাসটিতে উঠে বসেছে ২৫/৩০ জন স্টুডেন্ট। স্টুডেন্টদের নিয়ে বাস চলছে বাংলামোটর মোড়ের বাম পাশের রাস্তায়।

কথাবার্তাতেই জেনেছিলাম বাসটিকে তারা আটক করেছে। সেটিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে নিয়ে যাওয়া হবে।

তারপর?
তারপর আর জানিনা। জানার ইচ্ছেও নেই। তবে কল্পনা করে নিতে পারি। বাসটিকে একটা জায়গায় রাখা হবে। সরকারী দলের ছাত্রসংগঠনের নেতারা বসবেন। বাস মালিক/মালিকরা ছুটে আসবেন। স্টুডেন্টদেরকে কিছু প্রতিশ্রুতি দেবেন। তারপর কিছু প্রকাশ্য আর কিছু অপ্রকাশ্য জরিমানা(!) আদায় সাপেক্ষে বাসটিকে ছাড়া হবে। সেই প্রকাশিত/অপ্রকাশিত জরিমানার টাকাটা কোথায় যাবে? কার কাছে? ছাত্রকল্যাণ তহবিলে? সেই টাকায় ভার্সিটির ছাত্রদের যাতায়াতের বাস কেনা হবে? আগে পরে এইভাবে যা আদায় হয়েছে সেটা দিয়ে কী কী করা হয়েছে স্টুডেন্টদের জন্য? স্টুডেন্টরা এটা বোঝে? তারা কি শুধুই লেজুরবৃত্তি করে যাবে সরকারী দলের ছাত্রনেতাদের?

আমি এসব মোটেই ভাবছিনা। আমি ভাবছি অন্য কথা। একটা সাধারণ ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে কতো তাড়াতাড়িই না তারা একত্রিত হয়ে যায় স্টুডেন্টরা। তাদের প্রতিবাদের ভাষাটা উপস্থিত কারু পছন্দ না হলেও তাদের সেদিকে মোটেই ভ্রুক্ষেপ নেই। অথচ কারু চোখেই যে সেটা আন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নয়; বরং একটা অন্যায় সংগঠনের আয়োজন মাত্র, সেটা তারা বুঝতেও পারছেনা! নাকি বুঝতে চাইছেনা! ছাত্রদের এই ইউনিটি একটা অন্যায়ের প্রতিবাদে কতো বড়ো ভূমিকা রাখতে পারতো সেটা যেনো ভুলেই বসে আছে আমাদের ছাত্রসমাজ। স্টুডেন্টরা এটা অনুধাবন করবেন সেই প্রত্যাশা আজকের ছাত্রসমাজের প্রতি।