দেশের চলচ্চিত্র সাংবাদিকতার পথিকৃ ও প্রথম চলচ্চিত্র বিষয়ক পত্রিকা ‘সিনেমা’র সম্পাদক, প্রথম শিশু চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’-এর পরিচালক চলচ্চিত্র সাংবাদিক ফজলুল হক। তার স্মরণে প্রতি বছর দেয়া হয় ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’। চলতি বছরে এই সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন চিত্রনায়ক আলমগীর।
তাকে চলচ্চিত্র পরিচালনায় অবদান রাখার জন্য ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার-২০’ প্রদান করা হবে।
তার সঙ্গে চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য শামীম আলম দীপেনকেও এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে বলে এক মেইল বার্তায় জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তারা বলছে, আগামী ২৬ অক্টোবর ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দুপুর ১২টায় চ্যানেল আই স্টুডিওতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার ২০২০ প্রদান করা হবে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য প্রতিটি ২৫ হাজার টাকা, সম্মাননা পত্র ও ক্রেস্ট। প্রয়াত ফজলুল হক স্মরণে ২০০৪ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রবর্তন করেন তার স্ত্রী কথাশিল্পী রাবেয়া খাতুন।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন চলচ্চিত্রের এই গুণী মানুষটিকে শ্রদ্ধা জানাতে তাদের একটি মূল মিলনায়তনের নামকরণ করেছে ‘ফজলুল হক স্মৃতি মিলনায়তন’। চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমে কাজ করতে আগ্রহীদের জন্য সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে গড়ে তোলা হয়েছে ‘ফজলুল হক ইন্সটিটিউট অব মিডিয়া স্টাডিজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান।

কথাশিল্পী রাবেয়া খাতুন তার সহধর্মিণী। জ্যেষ্ঠপুত্র ফরিদুর রেজা সাগর শিশু সাহিত্যিক ও টিভি ব্যক্তিত্ব এবং ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি. চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ছোট ছেলে ফরহাদুর রেজা প্রবাল বাংলাদেশ টেলিভিশনের এক সময়ের জনপ্রিয় উপস্থাপক ও বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী স্থপতি, বড় মেয়ে কেকা ফেরদৌসী রন্ধনবিদ ও ছোট মেয়ে ফারহানা মাহমুদ কাকলী গৃহিনী।
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে এই পুরস্কার পেয়েছেন সাইদুল আনাম টুটুল এবং ফজল শাহাবুদ্দিন (২০০৪), চাষী নজরুল ইসলাম ও আহমদ জামান চৌধুরী (২০০৫), হুমায়ূন আহমেদ ও রফিকুজ্জামান (২০০৬), সুভাষ দত্ত ও হীরেন দে (২০০৭), গোলাম রাব্বানী বিপ্লব ও আবদুর রহমান (২০০৮), আমজাদ হোসেন ও সৈয়দ শামসুল হক (২০০৯), মোরশেদুল ইসলাম ও চিন্ময় মুৎসুদ্দী (২০১০), ই আর খান ও অনুপম হায়াৎ (২০১১), নাসিরউদ্দিন ইউসুফ ও গোলাম সারোয়ার (২০১২), রাজ্জাক ও রেজানুর রহমান (২০১৩), সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকী ও আরেফিন বাদল (২০১৪), মাসুদ পারভেজ ও শহীদুল হক খান (২০১৫), আজিজুর রহমান ও মোস্তফা জব্বার (২০১৬), আবদুল লতিফ বাচ্চু ও নরেশ ভুঁইয়া (২০১৭), মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও শফিউজ্জামান খান লোদী (২০১৮), কোহিনূর আখতার সুচন্দা ও রাফি হোসেন (২০১৯)।
এলএ/পিআর
মূল প্রতিবেদনটি এখানে পেতে পারেন।


