অন্যরকম অভিষেকের অপেক্ষায় বাবর


    11

    Pakistan-Babar-Azam.jpg

    ২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কা দলের বাসে সন্ত্রাসী হামলার পর দীর্ঘদিন ক্রিকেট বন্ধ ছিল পাকিস্তানে। এরপর আবারও আন্তর্জাতিক দলগুলো পাকিস্তান সফর শুরু করেছে। জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশও পাকিস্তান সফর করে এসেছে।

    গত বছরের অক্টোবর মাসে করাচিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিল পাকিস্তান। এরপর শ্রীলঙ্কা সফরে নেতৃত্ব দেয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদকে দলের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তারপর বাবর আজমকে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে দলের অধিনায়ক ঘোষণা করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

    এর পর কেটে গেছে ১ বছর। এই ১বছরে পাকিস্তান তাদের ঘরের মাঠে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার সাথে টেস্ট সিরিজ জিতেছে, টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে শ্রেষ্ঠত্ব হারিয়েছে। এরপর করোনার থাবায় পুরো সাত মাস বিশ্ব ক্রিকেটই ঘরে বন্দী হয়ে পরেছিল। করোনার মহামারির পর যদিও ইংল্যান্ড সফর করে ৩টি টেস্ট ও ৩টি টি-টোয়েন্টি খেলেছে পাকিস্তান কিন্তু ওয়ানডে আর খেলা হয়ে ওঠেনি দলটির। এখন পর্যন্ত ৮টি টি-টোয়েন্টিতে নেতৃত্ব দিলেও ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয়নি বাবরের।

    অবশেষে চলতি মাসের শেষে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে ক্রিকেটে ফিরছে পাকিস্তান। ঘরের মাঠে ওযানডে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচে দেশকে নেতৃত্ব দেয়াটাও তাই বাবরের জন্য বেশ সম্মানের ও সৌভাগ্যের। সেই অপেক্ষাতেই আছেন পাকিস্তানের এই তারকা ক্রিকেটার।

    বাবর বলেছেন, ওয়ানডে ক্রিকেটে পাকিস্তানের অধিনায়ক হতে পারা আমার জন্য অনেক সম্মানের। এক দশক ধরে পাকিস্তানে কোন ক্রিকেট হয়নি। আমরা খেলোয়াড়রা বাইরের দেশে সিরিজ খেলতে বাধ্য হয়েছি। তাই ঘরের মাঠে দেশকে নেতৃত্ব দিতে পেরে আমি নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করছি।

    ঘরের মাঠে খেললেও করোনার কারনে এবার দর্শক শূন্য মাঠে খেলতে হবে পাকিস্তানকে। ঘরের মাঠে তাই দর্শকদের উন্মাদনা থেকে বঞ্চিত হবেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। এ প্রসঙ্গে বাবর বলেন, ‘দর্শকরা আমাদের সবসময় সমর্থন যুগিয়েছে। সম্প্রতি পাকিস্তানে ক্রিকেট ফেরায় পুরো স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শক ছিল। দুর্ভাগ্যক্রমে কোভিড-১৯ এর কারনে সেটা সম্ভব নয়। আমরা তাদের শূন্যতা অনুভব করবো কারন তাদের থেকেই আমরা অনুপ্রেরণা পাই।’

    জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাকিস্তানের তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে আগামী ৩০ অক্টোবর। এরপর দ্বিতীয় ওয়ানডে ১ নভেম্বর এবং সিরিজের শেষ ওয়ানডে মাঠে গড়াবে ৩ নভেম্বর। ওয়ানডে সিরিজের সবগুলো ম্যাচ হবে রাওয়ালপিন্ডিতে।

     

    অর্থসূচক/এএইচআর

    মূল প্রতিবেদনটি এখানে পেতে পারেন।